News Britant

Thursday, August 11, 2022

প্রার্থী ৩ হলেও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মূল লড়াই দুই শাসক দলের মধ্যেই

Listen

#মালবাজার: ডুয়ার্সের মালবাজার পৌরসভার ভোট সমাগত। এবার ভোটে শহরের ১৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে শুধুমাত্র ১নম্বর ৪জন প্রার্থী রয়েছেন। বাকি ওয়ার্ড গুলিতে  তিন দলের ৩ জন করে প্রার্থী রয়েছেন। শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তিন দলের তিন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে রাজ্য ও কেন্দ্রের শাসক দলের দুই প্রার্থীর মধ্যে। এমনটাই ধারনা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। মালবাজার শহরে উত্তরে জাতীয় সড়ক, দক্ষিণে ৯ নম্বর ওয়ার্ড, পুর্বে ১০ নম্বর ওয়ার্ড ও পশ্চিমে পাগলাঝোড়া এই এলাকা নিয়ে গঠিত ৪ নম্বর ওয়ার্ড।

পোষাকি নাম নেতাজী বাস্তুহারা কলোনি। ওয়ার্ডের মোট ভোটার ৯৬৩ জন। এর মধ্যে মহিলা রয়েছে ৫১৯ জন। একদা লালদুর্গ বলে পরিচিত এই ওয়ার্ড গত ১৭ বছর ধরে টানা তৃণমূলের দখলে রয়েছে। সাবেক তৃণমূল টাউন কমিটির সভাপতি মানষকান্তি সরকার ২০১০ সালে এই ওয়ার্ডে জেতেন। ২০১৫ সালে মহিলা সংরক্ষিত হওয়ায় মানসবাবুর স্ত্রী দীপা সরকার জিতে পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হন। এবারও দীপা সরকারকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। বিজেপি গত কয়েক বছর ধরে এই ওয়ার্ডে শক্তি সঞ্চয় করেছে।

গত  লোকসভা নির্বাচনে তারা তৃণমূলকে পিছনে ফেলে দেয়। যদিও বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস সেই ড্যামেজ সারিয়ে রিকভার করে। এবার এই ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থী করেছে দলের তরুণ কর্মী সুশান্ত সাহা (বৃন্দাবন) কে। একদা এই লালদূর্গে আর এস পির দখলে ছিল। এখন সংগঠন তলানিতে। এবার বামেরা প্রার্থী দেয়নি। তাদের সমর্থনে নির্দল হিসাবে দাঁড়িয়েছেন ব্যবসায়ী মানিক পাল। তার চিহ্ন উদিয়মান সূর্য। প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণা হতেই দীপাদেবী ওয়ার্ডের কালীবাড়ি সহ কয়েকটি মোরে ক্যাম্প করে প্রচারে নেমে পড়েছেন।

ওয়ার্ডে মহিলা ভোট বেশি থাকায় মহিলাদের সাথে করে ওয়ার্ড চষে প্রচার করছেন। গোটা ওয়ার্ড পতাক ও ফ্লেক্স দিয়ে মুড়ে দিয়েছেন। নিজে জানালেন, ওয়ার্ডে এখনো কিছু সমস্যা রয়েছে। এবার বোর্ড গঠন হলে সেই কাজ শেষ করতে হবে। আবাসন প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে”। পিছিয়ে নেই বিজেপির সুশান্ত সাহা। তিনিও অফিস করে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। সর্বত্র ফ্লেক্স ও পতাকা দিয়ে সাজিয়েছেন। জিতলে দুর্নীতি মুক্ত স্বচ্ছ ভাবে কাজ করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। দুই প্রার্থীর তুলনায় অনেকটা পিছিয়ে নির্দল প্রার্থী মানিক পাল।

এখনো পর্যন্ত এলাকায় ফ্লেক্স বা পতাকা লাগাতে পারেননি। নিজেই জানালেন, কর্মীদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করছি। ফ্লেক্স পতাকা আজ আসবে। তারপর লাগানো হবে। প্রার্থীরা প্রচারে ব্যাস্ত থাকলেও সাধারণ মানুষ কিন্তু, আঙ্গুল দিয়ে সমস্যা দেখিয়েছেন। ওয়ার্ডের বাসিন্দা পিনাকী ব্যানার্জি বললেন, রাস্তায় অবস্থা আপনারা নিজেরা দেখতে পাচ্ছেন। রাতে অনেক পথবাতি জ্বলে না। অমল মন্ডল অসমাপ্ত আবাসন প্রকল্পের ঘর দেখিয়ে বললেন, ৩ বছর ধরে এই অবস্থায় রয়েছে। অনেকে ত্রিপল টাঙিয়ে আছেন। এরকম সমস্যার সামনে ভোট হবে। লড়াই হবে দুই প্রধান শাসক দলের মধ্যেই। এমটাই অভিমত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment