News Britant

Thursday, August 11, 2022

বন্ধ হল রায়গঞ্জ শহরের রেশম বীজ উৎপাদন কেন্দ্র, দেখুন কি বলছেন শহরবাসী

Listen

#রায়গঞ্জঃ পাকাপাকি ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হল রায়গঞ্জের একমাত্র কেন্দ্রীয় রেশম বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের অফিস ও আবাসন। প্রায় এক বছর ধরে ধীরে ধীরে সব স্থায়ী কর্মী সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অস্থায়ী কর্মীদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদকে বারংবার আবেদন জানিয়েও হতাশ হয়ে অবশেষে কর্মহীন হয়ে পড়লেন ওই শিল্প কেন্দ্রে কর্মরত প্রায় ৬৭ জন অস্থায়ী কর্মী। দেশজুড়ে যখন শিল্প কারখানা খুলতে কেন্দ্র সরকার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, তখন এভাবে শিল্প তুলে দেওয়ায় কি বলছেন শহরবাসী। দেখুন শহরবাসীর মতামত –

সোমনাথ চক্রবর্তী, জেলা শিক্ষা আধিকারিকঃ একবিংশ শতাব্দীতে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়নের যুগে, কৃষিজাত পণ্যের উপর ভিত্তি করে ছোটো মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পই একমাত্র উন্নত বিকল্প হতে পারে,  একথা আমরা জানি ও বুঝি। সেখানে দাঁড়িয়ে, আমাদের মতো অনুন্নত জেলাগুলোতে অতীতে গড়ে ওঠা শিল্পের বিলোপ সাধন অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও হতাশার। সময় ও প্রয়োজনের দাবী অনুযায়ী, প্রতিটি জেলাতেই, কৃষি নির্ভর শিল্প গড়ে তোলার এবং আধুনিকীকরণের মাধ্যমে এগুলোকে লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করার অভিপ্রায়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী বলে মনে করি।

নলিনাক্ষ পাল, অবসরপ্রাপ্ত সহ প্রধান শিক্ষকঃ জনপ্রতিনিধিরা যদি সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে কে করবে? আমজনতা লড়াই আন্দোলন ভুলে গিয়েছে। ঐসব অকর্মণ্য, অযোগ্য জনপ্রতিনিধিদের সরে যাওয়া উচিত। ভোটের সময় এরা হাত পা ধরে ভোট নিবে পরে সবকিছু ভুলে যাবে। তীব্র আন্দোলন দরকার। কোন সরকার বেকারদের নিয়ে ভাবছে না।

গৌরাঙ্গ চৌহান, জেলা সভাপতি, পশ্চিম বঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিঃ এটি নরেন্দ্র মোদীর আচ্ছে দিনের নমুনা। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখতে পাচ্ছি যে, ভারতবর্ষের সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প ও সংস্থা গুলোকে পরপর বন্ধ ও বিক্রি  করে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি দল নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার জন্য বেসরকারি কর্পোরেট সংস্থার কাছে ভারতবর্ষকে বিক্রি করে বেসরকারিকরণের পথ উপহার দিয়েছে।  শিল্প কলকারখানা বন্ধের ফলে মানুষের কর্মসংস্থান নষ্ট হচ্ছে। ভারতবর্ষের জিডিপি কমে গিয়ে  আর্থিক দিক দিয়ে তলানিতে নামছে। কাজ হারিয়ে চাকরি হারিয়ে বেকারের সংখ্যা হু হু করে প্রতিদিন  বাড়ছে।  উত্তর দিনাজপুর জেলার কেন্দ্রীয় শিল্প বন্ধের দায় নরেন্দ্র মোদি এবং এখানকার সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী কে নিতে হবে এবং আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এটিকে ধিক্কার জানাই।

অভিজিৎ দত্ত, প্রধান শিক্ষক, সুদর্শন পুর দ্বারিকা প্রসাদ উচ্চ বিদ্যাচক্রঃ কৃষি প্রধান আমাদের জেলা সেই অর্থে রাজ্যের শিল্প মানচিত্রে হয়তো কোনো দিন ই তেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। তবে বিক্ষিপ্ত কিছু কৃষি ভিত্তিক শিল্প আমাদের জেলার অর্থনীতি কে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়ক হয়েছিল।পাশাপাশি কর্মসংস্থান এর মধ্যদিয়ে গ্রামীণ মানুষের আর্থিক সাচ্ছন্দ্য হয়েছিল বিভিন্ন ভাবে। পিছিয়ে পড়া জেলা হিসেবে উত্তর দিনাজপুর জেলার সার্বিক উন্নয়নে এবং কর্মসংস্থানের প্রশ্নে এই সব শিল্পের পূনরুজ্জীবন অত্যন্ত জরুরি। আর এ বিষয়ে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং সদিচ্ছার প্রয়োজন। তা না হলে একদিকে পরিয়ায়ি শ্রমিকের সমস্যাও বাড়বে।

প্লাবন প্রামাণিক, সম্পাদক, উত্তর দিনাজপুর বাস ও মিনিবাস ওউনার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনঃ নতুন কোন কর্ম সংস্থান তো দূর অস্ত আসতে আসতে কর্মহীন হয়ে যাবার খবর আসছে রোজ।সবাই জনপ্রতিনিধি হতে ব্যস্ত, কিন্তু জনগণের কথা ভাবার সময় তাদের নেই।

মোহিত সেনগুপ্ত, জেলা সভাপতি, ভারতের জাতীয় কংগ্রেসঃ নতুন ভারতবর্ষের উদাহরণ। এর থেকে কিই বা বলবো। যে ভারতবর্ষে বেসরকারিকরণ রেয়াজে পরিণত হয়েছে, যে ভারতে শিক্ষা – কর্মসংস্থান আজ ভিক্ষা ও রেশনের কাছে হার মেনেছে সেখানে আরো একটি দপ্তরের দরজা বন্ধ হচ্ছে এর মধ্যে নতুনত্ব খুজে পাইনি। মাননীয়া সাংসদ, গত ৩ বছরে আপনার আপামর কর্মকাণ্ডে এটি আরেকটি পালক যুক্ত হলো। আপনি প্রমাণ করিলেন আপনি মোদীজীর পথগামী, উনি যেভাবে সরকারী সম্পত্তি বেচে দিয়েছেন আপনিও আপনার কেন্দ্রের সরকারী কারখানা বন্ধে চুপ। দুর্ভাগ্য রায়গঞ্জের, এর থেকে বেশি কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে যে দেশে ধর্ষণকে গৌণ মনে করে ধর্ষণকারীর দলকেই ভোটে জয়ী করা হয়, যে দেশে কৃষকের বুকের ওপর দিয়ে গাড়ি চাপা দিয়েও ভোটে জেতা যায় সেখানে একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিলেও মানুষ দুদিনপর ভুলে গিয়ে ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এটাই হয়তো স্বাভাবিক। এটাই কি নতুন ভারতবর্ষ?

সৈকত চক্রবর্তী, সমাজ চিন্তকঃ রাজ্যে যখন রোজগারের বেহাল দশা সেই সময় এই ধরনের খবর আরো বেশি চিন্তায় ফেলে মানুষকে। বরাবরই উত্তরবঙ্গে শিল্পের প্রতি বিনিয়োগ এবং শিল্পীদের নির্দিষ্ট শিল্পে পেশা ভূক্তিকরণের প্রতি সরকার পক্ষের অনীহা লক্ষ্য করা যায়। রেশম বীজ উৎপাদনকারী কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন যে মানুষগুলো তাদের পরিবারের কথা একবার ভাবা প্রয়োজন। এমত অবস্থায় রেশম শিল্প কেন্দ্রিক বিভিন্ন পেশায় সাথে জড়িত যে সমস্ত মানুষ গুলো কর্মহীন হয়ে গেল তাদের নিয়ে অবিলম্বে ভাবতে হবে সরকারকে। কর্মহীন কর্মীদের অবিলম্বে নতুন কোন প্রকল্পে ট্রেনিং দিয়ে কাজে নিযুক্ত করা হোক।  উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও রাজনৈতিক দলাদলি ও প্রতিশ্রুতির জাল থেকে বেরিয়ে নিত্য নতুন শিল্প অবিলম্বে চালু করা প্রয়োজন এতে বহু মানুষের জীবন-জীবিকা সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব হবে।

যাদব চৌধুরী, কবি ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকঃ করোনা মহামারীর সাপেক্ষে প্রায় দুই বছর দেশ জুড়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্ষেত্র বন্ধ হয়ে রয়েছেl বহু মানুষ রুজিহীনl কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তরফে বিগত দিনগুলিতে নতুন কর্মসংস্থানের প্রয়াস প্রায় নেই বললেই চলেl নতুন প্রজন্ম ধুঁকে ধুঁকে মরছেl যখন নতুন শিল্প স্থাপন হচ্ছে না তখন পুরনো যে শিল্পগুলি চালু রয়েছে সেগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সংবাদ অত্যন্ত নৈরাশ্যজনকl রায়গঞ্জের এই শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে শুধু যে অনেকগুলি পরিবার রুজিহীন হলেন তাই নয়, এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সেরিকালচার বিভাগ এর বিভিন্ন প্রজেক্ট মার খাবে, কারণ এখান থেকেই তারা কাঁচামাল পায়l ক্ষতি হলো বিভিন্ন গবেষণাকর্মেরl এমন পরিস্থিতি খুবই ভয়ানকl বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের সামনে শুধুই অন্ধকারl সকল শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের এই ঘটনার নিন্দা করা উচিত এবং জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে কেন্দ্র-রাজ্য উভয় সরকার যাতে করে রোজগারমুখী নানা প্রকল্প গ্রহণ করে সে বিষয়ে  তদবির করা উচিতl

রিন্টু ভৌমিক, শিক্ষক ও নাট্যকর্মীঃ অতি দ্রুততার সহিত পুনরায় চালু করার ব্যাবস্থা করা উচিত।

অনুপম দাস, জেলা শিক্ষা আধিকারিকঃ শিল্পের ভাবনা পশ্চিম বঙ্গ থেকে চলে গেছে। এটা তারই চেনা ছবি।

মানস চন্দ, সমাজচিন্তক ও শিক্ষকঃ এটা বিস্ময়কর ও দুঃখ জনক খবর! কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন জেলার অন্যতম রেশম বীজ উৎপাদন কেন্দ্রটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া জেলাবাসীর কাছে হতাশা সৃষ্টি করবার মত ঘটনা। বিগত কয়েক দশক যাবৎ এই প্রতিষ্ঠানটি উৎকর্ষতার সাথেই কাজ করছিল। এতে উপকৃত হচ্ছিলেন জেলার রেশম চাষীরা। এই রেশম বীজ উৎপাদন কেন্দ্রটি বন্ধ হবার কারনে শুধু মাত্র এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মচারীরা নন, ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সেই সমস্ত রেশম চাষীরা যারা অনেকাংশে এই প্রতিষ্ঠানের উপরে নির্ভরশীল ছিলেন। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রায়গঞ্জের মাননীয়া সাংসদ যদি সময় থাকতে গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখতেন তবে সম্ভবত এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটা এড়ানো যেত।

অলোক পাল, সমাজকর্মী ও শিক্ষকঃ উত্তর দিনাজপুর জেলার গর্ব কেন্দ্রীয় রেশম বীজ উৎপাদন কেন্দ্র। এর মাধ্যমে উপকৃত হতেন সেইস্থানের কর্মী, গবেষণায় যুক্ত শিক্ষক – শিক্ষিকা, ছাত্র ছাত্রী, ঐ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনেকেই। এখন মনে অনেক প্রশ্ন চলে আসছে,

 ১। কেন সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে?

২। কর্মী ও তাদের পরিবারের কি হবে?

৩। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা বিঘ্নিত হবে না তো?

৪। রেশম চাষ এর সঙ্গে যুক্ত চাষীদের কি পরিনতি হবে?

৫। সরকার ভর্তুকি দিয়ে চলবে কতদিন?

৬। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত যারা তারা তাদের দায়িত্ত্ব ও কর্তব্য ঠিক মত পালন করেছে কি?

৭। আয় এর থেকে খরচ কি বেশি হতো?

৮। বাজার এ চাহিদা কেমন?

উপরোক্ত প্রশ্ন গুলোর যদি পজিটিভ উত্তর আসে তাহলে উত্তরদিনাজপুরের শিল্প কে বন্ধ করার বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তা না হলে আধুনিকতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে আমাদের চলতে হবে। কর্মীদের সঠিক স্থানে কাজের বন্দোবস্ত করে দিতে হবে। ওই স্থানে প্রফিটেবল কিছু করার প্রস্তাব সরকার কে দিতে হবে।

রনোজ কুমার দাস, প্রাক্তন উপপৌরপ্রধান, রায়গঞ্জ পৌরসভাঃ অপদার্থ দের সম্বন্ধে কিছুই বলতে চাই না।

ডঃ দুর্লভ সরকার, নিবন্ধক, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ঃ সিল্ক উৎপাদনে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ, চীনের পরেই। কিন্তু গত কয়েক দশক ধরেই কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রকের অধীনে এই শিল্প ধুঁকছে। কারন দেশীয় প্রযুক্তিতে উৎপাদিত সিল্কের খরচ হয় কেজি প্রতি ২৫০০ টাকা থেকে ৩৫০০ টাকা পর্যন্ত, যেখানে চীন থেকে আমদানী করা সিল্কের দাম অনেক কম। কেজি প্রতি মাত্র ১৯০০ টাকা। তাই দেশীয় রেশমব্যাবসা অনেক দিন ধরেই অধোগামী। এটা নতুন কিছু নয়। এবারে কেন্দ্রীয় বাজেটে (২০২১-২২) কাঁচা রেশম আনবার ক্ষেত্রে সরকার আমদানী শুল্ক ১০% বাড়িয়ে এবং ২০২০ সাল থেকে National Silk Policy 2020 তৈরী করে Rashtriya Krishi Vikash Yojana র অন্তর্ভুক্ত করে রেশমশিল্পের সাথে যুক্ত  দেশীয় কৃষক- শ্রমিকদের বাঁচানোর একটা চেষ্টা সরকার করছে ঠিকই, কিন্তু গত দুবছরে কোভিড পরিস্থিতি এই শিল্পের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। আর উত্তর দিনাজপুরের মতো শিল্পে পিছিয়ে থাকা একটি জেলায় কেন্দ্রীয় রেশম বীজ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করা অত্যন্ত দুর্বল সিদ্ধান্ত। আরও একদুবছর উৎসাহ দিলে এটা টিকে থাকত বলে মনে হয়। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরিকালচার বিভাগ বহরমপুরের Central Silk Board এর  CSRTI এর সাথে MOU দ্বারা আবদ্ধ। গবেষণায় ওরা আমাদের ছাত্রদের সুবিধা দিচ্ছেন। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মালবেরী বাগান রয়েছে। এখানে গবেষণার জন্যে বীজ আনা হত এই রেশমবীজ উৎপাদন কেন্দ্র  থেকেই। সেটা বন্ধ হল এবার। ছাত্র ছাত্রী, গবেষকেরা অসুবিধেয় পড়বেন। দেশ জুড়ে প্রায় ৯০ লক্ষ কৃষক-শ্রমিক এই শিল্পের সাথে জড়িয়ে রয়েছে। এই শিল্পের অন্যতম রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। হতাশ অর্থনীতিতে এই রকম সিদ্ধান্ত আমাদের সকলের হতাশা বাড়িয়েই চলেছে।

News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment