News Britant

Wednesday, August 17, 2022

কিয়েভে কারফিউ

Listen

ইউক্রেনের রাজধানী দখলে মরণ কামড় রাশিয়ার॥ কিয়েভের আবাসিক ভবন ও মেট্রো স্টেশন এবং টিভি টাওয়ারে হামলায় ৯ জন নিহত॥ রুশ সেনাদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জেলেনস্কির॥ মে মাসে যুদ্ধ বন্ধ হতে পারে আশা ইউক্রেনের॥ পোল্যান্ডেও রাশিয়ার আগ্রাসনের আশঙ্কা

#হাবিবুর রহমান, ঢাকা: ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কারফিউ ঘোষণা করেছেন মেয়র ভিটালি ক্লিৎচকো। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ দখলে মরণ কামড় দিয়েছে রাশিয়া। কিয়েভের আবাসিক ভবন, মেট্রো স্টেশন ও টিভি টাওয়ারে রুশ বাহিনীর হামলায় ৯ জন নিহত হয়েছে। রুশ সেনাদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কির। তবে মে মাসে যুদ্ধ বন্ধ হতে পারে আশা প্রকাশ করেছে ইউক্রেন। অপরদিকে পোল্যান্ডেও রাশিয়ার আগ্রাসনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ওয়ারশের মেয়র ও প্রভাবশালী রাজনীতিক রাফাল ত্রজাস্কোস্কি। জানা গেছে, রাশিয়ার গোলাবর্ষণে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অন্তত দু’জনের প্রাণহানি ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ বলেছে, আগ্রাসী বাহিনী ইউক্রেনের রাজধানী দখলে মরণ কামড় দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কিয়েভের মেয়র রাজধানীতে ৩৫ ঘণ্টার জন্য কারফিউ ঘোষণা করেছেন; যা শুরু হবে স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে।

গতকাল মঙ্গলবার ভোরের কিছু আগে শহরের কেন্দ্রস্থলে দু’টি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। গত সোমবার শেষ রাতের দিকে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী শত্রুপক্ষের একটি ড্রোনকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর পর রাজধানীজুড়ে বুলেটের ঝলকানি দেখা গেছে। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিৎচকো বলেছেন, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মানুষের জন্য মঙ্গলবার ও বুধবার দিনটি খুবই কঠিন এবং বিপজ্জনক এক মুহূর্ত। রাজধানী হল ইউক্রেনের প্রাণ এবং এটি রক্ষা করা হবে। বর্তমানে ইউরোপের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার প্রতীক এবং সম্মুখ লড়াইয়ের অন্যতম ঘাঁটি হয়ে ওঠা কিয়েভকে আমরা কখনই ছেড়ে দেব না। প্রত্যক্ষদর্শীরা কামানের গোলার আঘাতের পর একটি উঁচু ভবনে আগুন দেখতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছে। তারা বলেছে, অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে এবং উদ্ধারকারী কর্মীরা ভবনে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে সহায়তা করছে। এ সময় ব্যাগে ভর্তি একটি মরদেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণের মুখোমুখি হয়েছে কিয়েভ। কিন্তু রাশিয়ার সামরিক বাহিনী তুলনামূলক ধীরগতিতে এই শহর অভিমুখে এগিয়ে চলছে এবং চলতি সপ্তাহে সেখানে গোলাবর্ষণের তীব্রতা বাড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইগোর ক্রুপা বলেছেন, খারকিভ, মারিউপোল এবং অন্যান্য শহরে এখন যা ঘটছে, তা থেকেই বোঝা যাচ্ছে, খুব শিগগিরই অথবা আরো পরে কিয়েভেও তাই ঘটবে। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবনের বাইরে মাটিতে বসে ‘কীভাবে তিনি ঘুমাতে যাওয়ার আগে আসবাবপত্র এবং অন্যান্য ধাতববস্তু দিয়ে নিজেকে ঢেকে রেখেছিলেন’ সেই দুঃসহ স্মৃতি বর্ণনা করেছেন। এটি আসলে আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। কারণ সব জানালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। ভবন ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে এবং আমি অক্ষত রয়েছি। মাত্র কয়েকটি আঁচড় লেগেছে। শহরের অন্য প্রান্তে গোলার আঘাতে বাড়িঘরের জানালা, ব্যালকনি উড়ে গেছে। ভবনের নিচে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। বাসিন্দারা তাদের বাড়িঘর থেকে ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করছেন। রাশিয়ার আগ্রাসনে ইউক্রেনে হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এদিকে টানা তিন সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে রাশিয়া। রুশ হামলা জোরদার হয়েছে রাজধানী কিয়েভ অঞ্চলেও। অন্যান্য স্থাপনার পাশাপাশি কিয়েভের আবাসিক ভবনগুলোও এখন রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

মঙ্গলবার নতুন করে রুশ সামরিক বাহিনীর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কিছু আবাসিক ভবনের ছবি প্রকাশ করেছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ। সেসব ছবিতে কিয়েভ অঞ্চলের সভিয়াতোশিনস্কি জেলায় দু’টি পৃথক ভবনে রুশ আক্রমণের পর আগুন জ্বলতে দেখা যায়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার পর সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এদিকে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে কিয়েভের আবাসিক এলাকার দু’টি ভবনে পৃথক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কিয়েভের কেন্দ্র থেকে পূর্ব দিকে অবস্থিত ওসোকোরকি এলাকায় একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আগুন ধরে গেলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এছাড়া এর পরে কিয়েভের উত্তরে পোদিল এলাকায় একটি ভবনে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে করে ভবনটির প্রথম পাঁচটি ফ্লোরে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অপরদিকে ইউক্রেনের রাজধানী ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাজুড়ে রাশিয়ার হামলার মধ্যেই কিয়েভের একটি মেট্রো স্টেশনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে স্টেশনটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে রাশিয়ার হামলা নাকি অন্য কোনো কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেটি পরিষ্কার করা হয়নি। কিয়েভ মেট্রোর ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্টেও বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। টুইটে সংস্থাটি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে হওয়া বিস্ফোরণে কিয়েভের লুকিয়ানিভস্কা স্টেশন এবং সেখানকার অফিসের সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লুকিয়ানিভস্কা স্টেশন কিয়েভের কেন্দ্রস্থলের বেশ কাছাকাছি অবস্থিত। বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ইউক্রেনের একটি টেলিভিশন টাওয়ারে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর চালানো হামলায় ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৯ জন। গত সোমবার পূর্ব ইউরোপের এই দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রিভনে শহরের বাইরে রুশ হামলায় হতাহতের এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স ও এএফপি। রিভনের আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান ভিতালি কোভাল জানিয়েছেন, হামলায় ৯ জন নিহত এবং আরো ৯ জন আহত হয়েছেন। শহরের বাইরে আন্তোপিল গ্রামে হওয়া এই হামলার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধারের কাজ চলছে।

এদিকে অভিযানরত রুশ সেনাদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদোমির জেলেনস্কি। গত সোমবার রাতে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে এই আহ্বান জানান তিনি। গত শতকের নব্বইয়ের দশকে চেচনিয়ার বিদ্রোহীদের দমন অভিযানে যত সংখ্যক রুশ সেনার মৃত্যু হয়েছিল, ইউক্রেন অভিযানের গত ২০ দিনে তার চেয়েও অধিক রুশ সেনা মৃত্যু বরণ করেছেন— উল্লেখ করে ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, আমি জানি, আপনারা বেঁচে থাকতে চান। আপনারা নিজেদের মধ্যে যেসব কথাবার্তা বলেন, সেসব আমাদের কানে আসে। আমরা জানি, এই নিরর্থক যুদ্ধ সম্পর্কে আপনারা কী ভাবছেন। এই যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে রাশিয়ার মর্যাদা ক্ষুন্ন হওয়ায় আপনারা যে কষ্ট পাচ্ছেন, তা ও আমরা বুঝি। মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরেই মূলত দ্বন্দ্ব শুরু হয় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। ২০০৮ সালে কিয়েভ এই আবেদন করার পর থেকেই দু’দেশের সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। এর মধ্যে ন্যাটো ইউক্রেনকে পূর্ণ সদস্যপদ না দিলেও ‘সহযোগী দেশ’ হিসেবে মনোনীত করার পর আরো বাড়ে দ্বন্দ্বের তীব্রতা। ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন প্রত্যাহারে ইউক্রেনের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে গত দুই মাস রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় দুই লাখ সেনা মোতায়েন রেখেছিল মস্কো।

কিন্তু এই কৌশল কোনো কাজে আসেনি। উপরন্তু এই দু’মাসের প্রায় প্রতিদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা অভিযোগ করে গেছে যে কোনো সময় ইউক্রেনে হামলা চালাতে পারে রুশ বাহিনী। অবশেষে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া; এবং তার দু’দিন পর, ২৪ তারিখ ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অভিযানের এ পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক রুশ সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, এ পর্যন্ত রুশ বাহিনীর ১২ হাজারেরও বেশি সেনা মৃত্যুবরণ করেছেন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনী অবশ্য এ বিষয়ে বরাবরই চুপ থেকেছে। রুশ সেনাদের উদ্দেশে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যদি আপনারা আমাদের বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন, ভদ্র-মর্যাদাসম্পন্ন মানুষের সঙ্গে যেমন আচরণ করা হয়, আপনাদের সঙ্গেও তা ই করা হবে এমন আচরণ, যা কখনও আপনাদের সেনা কর্মকর্তারা আপনাদের সঙ্গে, কিংবা কারোর সঙ্গেই কখনও করেনি।’ ‘আমরা আপনাদেরকে নিজেদের মানুষ হিসেবে গ্রহণ করে নিতে প্রস্তুত। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের।’

গত সোমবার রাশিয়ার টেলিভিশন সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ওয়ানে সংবাদ পাঠ অনুষ্ঠান চলার সময় যুদ্ধবিরোধী প্ল্যাকার্ড তুলে ধরা রুশ সাংবাদিক মারিনা ওভসায়ানিকোভাকেও কৃতজ্ঞতা জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার যেসব নাগরিক প্রকৃত সত্যের পক্ষে আছেন, তাদের সবাইকে আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’ এছাড়া, বেলারুশের গোমেল শহরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে যে আলোচনা চলছে, এখন পর্যন্ত তা বেশ আশাব্যাঞ্জক বলেও সোমবারের ভাষণে উল্লেখ করেছেন জেলেনস্কি। তবে আগামী মে মাসের শুরুর দিকে রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযান ও যুদ্ধ বন্ধ হতে পারে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির সরকারের এক উপদেষ্টা বলছেন, এখন যে পরিস্থিতি চলছে, তাতে আগামী মে মাসের শুরুতে ইউক্রেনে আক্রমণের জন্য রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সরঞ্জাম শেষ হয়ে যাবে এবং এতে করে সেসময় যুদ্ধ বন্ধ হতে পারে। ইউক্রেন সরকারের ওই উপদেষ্টার নাম অলেকসি অ্যারেস্টোভিচ। তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির চিফ অব স্টাফের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

এছাড়াও ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ প্রতিবেশি পোল্যান্ডের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে। ইউক্রেনে এই যুদ্ধ পোল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন অনেকে। দেশটি মূলত দুই দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। একদিকে রুশ আগ্রাসনে দেশ ছেড়ে পালানো ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। অন্যদিকে নিজ সীমান্তের কাছে ইউক্রেনের একটি সামরিক ঘাঁটি আক্রান্ত হয়েছে। তবে বিবিসি বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকটে প্রথম সাড়া দিয়েছে পোল্যান্ড। গত ২০ দিনের যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৭ লাখের বেশি ইউক্রেনীয়কে আশ্রয় দিয়েছে দেশটি। সাংস্কৃতিক, ভাষাগত অথবা পারিবারিক বন্ধনের কারণে অনেক ইউক্রেনীয় পোল্যান্ডে যাওয়ার পর সেখানেই থেকে যাচ্ছেন। তবে কেউ কেউ পোল্যান্ড থেকে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও পাড়ি জমিয়েছেন। গত দুই সপ্তাহে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশে জনসংখ্যা প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপত্তার দিক থেকে দেশটিতে বিপদের ঘণ্টাও বাজছে। চলতি সপ্তাহেই পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরের ইউক্রেনের ইয়াভরিভ সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাতিউয়েজ মোরাউইকি বলেছেন, ইউক্রেনের সৈন্যদের পশ্চিমা সমর্থন দরকার এবং এই সহায়তার প্রাপ্য তারা। তিনি বলেছেন, তারা কেবল নিজেদের স্বাধীনতার জন্যই লড়ছে না, বরং পূর্ব ইউরোপীয় প্রতিবেশিদের স্বাধীনতার জন্যও লড়ছে। তিনি ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণকে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভূ-রাজনৈতিক পরিকল্পনার একটি হিসাবকৃত অংশ বলে বর্ণনা করেছেন।

News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment

Also Read