News Britant

Friday, December 9, 2022

ভাসান বিপর্যয়কে ম্যানমেড আখ্যা বিজেপির অভিযোগ নস্যাৎ পৌরপ্রধানের

Listen

( খবর টি শোনার জন্য ক্লিক করুন )

#মালবাজার: বুধবার প্রতিমা নিরঞ্জন ঘাটের বিপর্যয়কে ম্যানমেড আখ্যা দিয়ে পৌরসভা ও প্রশাসনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করলো বিজেপি। যদিও এই দাবীকে অবাস্তব ও যুক্তিহীন বলে সব অভিযোগ নস্যাৎ করলেন মাল পৌরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহা। বুধবার মালনদীর ঘাটে ঘটে যাওয়া ভাসান বিপর্যয়ের ৪২ ঘন্টা পরে বিজেপির এক ৯ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল মালবাজার শহরে আসেন।

সকাল ১০ টা নাগাদ আসা এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সম্পাদক তথা ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মন, শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, সাংসদ জয়ন্ত রায়, ফুলবাড়ি ডাবগ্রামের বিধায়ক শিখা চ্যাটার্জি, ধূপগুড়ির বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়, নাগরাকাটার বিধায়ক পুনা ভেংরা, ময়নাগুড়ির বিধায়ক, মাদারীহাটের বিধায়ক তথা দলের বিধানসভার মুখ্য সচেতক মনোজ টিগগা, দলের জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী সহ অন্যান্যরা। এদিন প্রথমেই তারা নিরঞ্জন ঘাট পরিদর্শন করেন।

এরপর এক এক হরপা বানে মৃত ব্যাক্তিদের বাড়িতে। সেখানে সমবেদনা জানান এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এরপর হাসপাতাল ও থানা হয়ে চলে আসেন গুরজংঝোড়া মোরে স্থিত দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে সাংবাদিক বৈঠকে মিলিত হয়ে প্রতিনিধি দলের নেতা দীপক বর্মন সরাসরি পৌরসভা ও প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে এই বিপর্যয়কে ম্যানমেড আখ্যা দিয়ে বলেন, পৌরসভা ও প্রশাসন এই ঘটনার জন্য দায়ী। নদীর গতিমুখ ঘুরিয়ে বিসর্জন ঘাট নির্মাণের জন্য সেচ দপ্তর, রেলদপ্তর কিম্বা জাতীয় সরক দপ্তরের অনুমতি নিয়েছিল কি না?  

জানা নাই। যেভাবে নদীর অভিমুখ ঘোরানো হয়েছে তা ছিল অবৈঞ্জানিক ও যথেষ্ট ছিলো না। মাত্র ৮ জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী ছিল। তাদের কাছে উপকরণ ছিল না।দুর্যোগ মোকাবিলার ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল না।সবরকম আবহাওয়ার পূর্বাভাস অন্যান্য সতর্ক বার্তার পরেও এভাবে নদীর মধ্যে ঘাট নির্মাণ করে মানুষকে বিপদের মধ্যে ফেলে দেওয়া  হয়েছে। এরজন্য ৮ মানুষ মারা গেলেন ও ১৩ জন জখম হলো। এটা ম্যানমেড। আমরা আজকের পর্যবেক্ষণের রিপোর্ট কাল রাজ্য সভাপতির কাছে পাঠাবো। তারপর যতদূর যেতে হয় যাব। 

বিজেপির তোলা অভিযোগ নস্যাৎ করে মাল পৌরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সাহা বলেন, এসব অবাস্তব ও যুক্তিহীন অভিযোগ। প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে যারা ম্যানমেড বলে তাদের বাস্তব কান্ডঞ্জ্যানের অভাব আছে। সেদিন সবরকম ব্যবস্থা ছিল। আচমকাই হুরমুর জল চলে আসে।তারপর মধ্যেই প্রায় ২০০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যবস্থা না থাকলে সেটা সম্ভব হলো কি করে?  তছাড়া আমরা নদীর মুখ ঘুরাইনি শুধু যাতায়াতের জন্য রাস্তা করা হয়েছিল। সবরকম পরামর্শ নিয়ে কাজ করা হয়েছে। এই পরিবেশে আমরা দুর্গতদের পাশে আছি।

Leave a Comment