News Britant

Friday, December 9, 2022

সর্বভারতীয় বিজ্ঞান মডেলে সেরা রায়গঞ্জের আরাত্রিকা, অঙ্ক মডেলে দ্বিতীয় নির্ঝর

Listen

( খবর টি শোনার জন্য ক্লিক করুন )

#চন্দ্র নারায়ণ সাহা, রায়গঞ্জঃ সর্বভারতীয় স্তরের বিজ্ঞান ভিত্তিক মডেল তৈরি ও উপস্থাপনায় সর্বভারতীয় স্তরে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়ে আসল রায়গঞ্জের খুদে পড়ুয়া আরাত্রিকা পাল। আরাত্রিকা রায়গঞ্জের সুদর্শনপুরের অবস্থিত সারদা বিদ্যামন্দিরের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।  তার এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা সাথে পড়ুয়াদের মধ্যে। আরাত্রিকা ছাড়াও এই সর্বভারতীয় আসরে অংশ নিয়েছিল ওই স্কুলেরই ছাত্র নির্ঝর দাশগুপ্ত।

তার বিষয় ছিল অঙ্কের উদ্ভাবনী মডেল। সেখানে সে দ্বিতীয় হয়ে নজর কেড়েছে উপস্থিত সকল বিচারক ও বিজ্ঞানীদের মধ্যে। জানা গেছে, বিদ্যাভারতী অখিল ভারতীয় শিক্ষা সংস্থান পরিচালিত গণিত বিজ্ঞান মেলা এবছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে মধ্যপ্রদেশের ভূপাল শহরের সারদা বিহারে। বিগত ২রা নভেম্বর থেকে গত ৫ই নভেম্বর পর্যন্ত এই আসর আয়োজিত হয়। সেই আসরে রায়গঞ্জ সারদা বিদ্যামন্দির সিবিএসই থেকে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায় আরাত্রিকা পাল ও নির্ঝর দাশগুপ্ত, এমনটাই জানালেন ওই স্কুলের প্রবীন শিক্ষক তথাগত ভট্টাচার্য।

তিনি বলেন, ৩ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত এই সর্বভারতীয় আসরে অংশ নিতে গত ৩১শে অক্টোবর দলটি কিষানগঞ্জ থেকে রওনা দেয়। রবিবার সকালে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আমাদের ২ পড়ুয়ার নাম সেরাদের মধ্যে  ঘোষণা হতেই উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে স্কুলের সকলের মধ্যে। ফোনে কথা বলার সময় যথেষ্টই উত্তেজিত দেখালো সারদা বিদ্যামন্দিরের ২ পড়ুয়াকে। আরাত্রিকা বলে, জীবনে প্রথম বার অংশ নিয়ে এত বড় একটা সফলতা আসবে, বুঝতে পারি নি। আমার স্কুলের রসায়ন শিক্ষক অসীম সেন,  বাবা বাপ্পাদিত্য পাল ও মা টুম্পা চন্দ যেভাবে সহযোগিতা করেছে, তা বলে শেষ করা যাবে না।

আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আরাত্রিকা জানায়, তার বিজ্ঞান মডেলের বিষয়বস্তু ছিল জল ও বায়ু দূষণ। আগামী দিনে এই বিষয় গুলোকে নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও পৌঁছে দিতে চাই। পাশাপাশি, সারদা স্কুলেরই নবম শ্রেণির ছাত্র নির্ঝর দাশগুপ্ত কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা। সে অঙ্ক বিষয়ে নিজের উদ্ভাবনী মডেলে সর্বভারতীয় স্তরে দ্বিতীয় হয়েছে। সে জানায়, আমার মডেলের বিষয়বস্তু ছিল Fibonacci sequence। স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের সহয়তায় এই উদ্ভাবনী মডেল তৈরি করতে পেরেছি। এক্ষেত্রে মা মৌসুমি রায় ও বাবা অনিরূদ্ধ দাশগুপ্ত আমাকে সর্বতোভাবে সহয়তা করেছে। আগামী ৯ই নভেম্বর আরাত্রিকা ও নির্ঝর শহরে ফিরবে। 

Leave a Comment