News Britant

Friday, December 9, 2022

নেতাদের সঙ্গে চা চক্রে রাজি, কিন্তু অতিমারীর দোহাই দিয়ে চাষীদের অভাব অভিযোগের বৈঠক নাকচ রাজ্যপালের

Listen

( খবর টি শোনার জন্য ক্লিক করুন )

#দেবলীনা ব্যানার্জী,  রায়গঞ্জ : ফসলের  ন্যায্য মূল্যের দাবিতে আন্দোলনরত স্বরাজ ইন্ডিয়া ও জয় কিষাণ আন্দোলনের তিন প্রতিনিধিদলের তরফ থেকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হল।স্বরাজ ইন্ডিয়া ও জয় কিষাণ আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরেই সারাদেশে চাষীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন করে যাচ্ছে এবং রাজ্যের ভুট্টা চাষীদের সমস্যা নিয়েও তারা সরব।উত্তর দিনাজপুরের  ভুট্টা চাষীদের অভাব অভিযোগ নিয়ে আন্দোলনরত ওই প্রতিনিধিরা একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে অভিযোগ আনেন যে, রাজ্যপাল বিজেপি নেতাদের বৈঠক ও  চা-চক্রে রাজি হলেও দুর্দশাগ্রস্থ চাষীদের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন না করোনার অজুহাতে।

কেন্দ্র সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফসলের দাম না পাওয়ার অভিযোগ ও অসুবিধা সম্বন্ধিত বৈঠকের প্রস্তাব কার্যত নাকচ করে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল শ্রী জগদীপ ধনকর। ২৫ জুন থেকে ১১ আগস্ট, মোট ১৭টি চিঠি দেবার পর রাজভবনের ডেপুটি সচিব স্বরাজ ইন্ডিয়া ও জয় কিষাণ আন্দোলনকে জানান যে করোনা অতিমারীর উদ্ভুত পরিস্থিতিতে চাষীদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাজ্যপালের  সাক্ষাৎ সম্ভব নয়। অথচ রাজভবনের ওয়েবসাইট ও সংবাদমাধ্যম সূত্র থেকে স্পষ্ট যে রাজ্যপাল দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণার পর ও লকডাউন চলাকালীন বহু বৈঠক কর্মসূচীতে যোগদান করেছেন। স্বরাজ ইন্ডিয়ার সর্বভারতীয় সভাপতি যোগেন্দ্র যাদব বলেন,”লকডাউন পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল ধনকর একাধিকবার রাজনৈতিক বক্তব্য পেশ করার জন্য সাংবাদিকদের রাজভবনে ডেকে পাঠিয়েছেন।

অন্তত তিন চার বার তিনি যথেষ্ট সময় দিয়ে বিজেপি দলের প্রতিনিধিদের সাথে রাজভবনে দেখা করে তাদের কথা শুনেছেন এবং আলোচনা করেছেন। অতিমারীতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিধি থাকা সত্ত্বেও তিনি দিল্লী গিয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নালিশ করে এসেছেন। গত স্বাধীনতা দিবসে রাজভবনে তার আয়োজিত সান্ধ্য চা চক্রে একশোর বেশী অতিথি আমন্ত্রণ করে আপ্যায়ন করেছেন। তাহলে গরীব চাষীদের সমস্যার কথা শুনতে ওনার কিসের এতো অনীহা? কেন তাঁদের সমস্যা ও দুর্দশার কথা না শোনার জন্য তিনি অতিমারীর দোহাই দেন? ওনার অগ্রাধিকারের তালিকায় কি পড়ে কোনো এক বিশেষ রাজনৈতিক দলের অপ্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতা সহ কিছু ঠুনকো কর্মসূচী নাকি রাজ্যের দুর্দশাগ্রস্থ গরীব চাষী? পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে দরিদ্র চাষীদের সমস্যা নিয়ে রাজ্যপালের কোনও চিন্তা বা মাথাব্যথা নেই।”

News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment