ব্রাউন সুগার সহ গ্রেপ্তার ১

#মালবাজার: মালবাজার শহরের বুকে বিভিন্ন এলাকায় স্কুল ও কলেজ গামী পড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছিল নেশা করার প্রবনতা। বিশেষ করে শহরের ৭,১৪,১৫ ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায়। শহরের বুকে এহেন ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছিল সংশ্লিষ্ট অবিভাবক ও মানুষের মধ্যে। মাল থানার পুলিশ ওত পেতে অভিযান চালিয়ে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রমোদনগর কলোনির এক বাড়ি থেকে   উদ্ধার করলো ১ কেজি ৬০ গ্রাম ব্রাউন সুগার।
ঘটনায় উমেশ ছেত্রী নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় শহর জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। মালবাজার শহরের ৭,১৪ ও ১৫নম্বর ওয়ার্ডে রয়েছে তিনটি হাইস্কুল, কয়েকটি নার্সারি ও প্রাইমারি স্কুল। আছে বেশ কয়েকটি বেসরকারি হোস্টেল। প্রতিদিন কয়েক হাজার পড়ুয়া আশ পাশের চাবাগান ও গ্রামাঞ্চল পড়তে আসে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এক অসাধু চক্র এই এলাকায় ছড়িয়ে দিয়েছিল ড্রাগস’য়ের কারবার।
মাঝেমধ্যে খবর আসতো মালবাজার স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় ড্রাগস অ্যাডিকশনের প্রবনতা স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছে। পুলিশও অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। এরই মধ্যে পুলিশের কাছে খবর আসে ব্রাউন সুগারের মতো নেশা দ্রব্যের কারবার শুরু হয়েছে। খবর আসেতেই পুলিশ অফিসার গনেশ বর্মন তিনদিন ওত পেতে থেকে প্রমোদ নগর কলোনির বিশ্বনাথ সাহা নামের এক ব্যাক্তির বাড়ি উদ্ধার করে ১.০৬০ কেজি নিষিদ্ধ নেশা সামগ্রী ব্রাউন সুগার।
গ্রেপ্তার করা হয় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া উমেশ ছেত্রী নামের এক যুবককে। এনিয়ে বিশ্বনাথ সাহা বলেন, ওই ব্যাক্তি ৪ মাস আগে তার বাড়িতে ভাড়া এসেছিলেন। স্বামী স্ত্রী থাকতো। ওই ব্যাক্তি আগেও একবার গ্রেপ্তার হয়েছিল বলে শুনেছি। মাল থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, এরকম অভিযান নিয়মিত চলবে।
যেখানে ব্রাউন সুগার উদ্ধার হয়েছে তার পাশেই রয়েছে শহরের নামজাদা ইংরেজি মাধ্যমের সিজার স্কুল। সেই স্কুলের প্রিন্সিপাল দীলিপ সরকার বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা স্কুলের পড়ুয়া থেকে অবিভাবক সকলকে সতর্ক করবো। পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ নেব। শহরের বুকে এই ঘটনায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কিভাবে এহেন নেশা দ্রব্য এসেছিল? কারাই বা এই অসাধু চক্রের সঙ্গে জরিত? এই প্রশ্ন উঠে এসেছে।
News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment

Choose অবস্থা