নতুন আবাদে গিয়ে স্থানীয়দের বাধায় ট্যাক্টর নিয়ে ফিরে গেল চাবাগান কর্তৃপক্ষ

#মালবাজার: নতুন চা গাছ রোপনের জন্য ট্যাক্টর নিয়ে গিয়েছিল আবাদ শুরু করতে। কিন্তু, স্থানীয়দের বাধায় ফিরে গেল রানীচেরা চাবাগান কর্তৃপক্ষ। সোমবার ঘটনাটি ঘটে মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি সংলগ্ন চেলবস্তি এলাকায়। এদিন জমির দখল নিয়ে চাবাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে স্থানীয় বস্তি বাসীদের বাদানুবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনাস্থলে মাল থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
খবর নিয়ে জানা গেছে, ওদলাবাড়ি সংলগ্ন চেল নদীর ধারে শতাধিক একর পরিমাণ জমি রয়েছে। বেশকিছু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বাস করে আসছে। ওখানে আবাদ ও পশুপালন করে জীবিকার সংস্থান করে। রানীচেরা চাবাগান কর্তৃপক্ষের দাবী ওই তাদের।
চাবাগানের ম্যানেজার বলবিন্দর সিং বাজুয়া বলেন,”ওই জমি শতাধিক বছর ধরে চাবাগান অধীনে। চাবাগান ওই জমির রাজস্ব দিয়ে থাকে। চাবাগানের কিছু শ্রমিক ওখানে আবাদ  করতো। হাতির হানায় বর্তমানে আবাদ হয়না। সম্প্রতি চাবাগানের শ্রমিকরা ওখানে আবাদ করার দাবী জানায়।ওখানে আবাদ হলে হলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হবে।সেজন্য ওখানে আবাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওখানে কিছু বহিরাগত মানুষ জমি দখল করে রেখেছে। জমি বিক্রি করছে। তারাই বাধা দিয়েছে। জমি নথি দেখতে চাওয়া হলে কেউ দেখতে পারেনি। পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা আবাদ বন্ধ রেখেছি”।
স্থানীয় বাসিন্দা মেনুকা প্রধান বলেন, আমরা বাপ ঠাকুদার আমল থেকে বসবাস করে আসছি। এখন আমাদের কাছে জমির কাগজ চাইছে। মারধোর করছে। আমরা যাব কোথায়? চাবাগানের মহিলা শ্রমিকরা জানায় ওই জমি চাবাগানের। ওখানে আবাদ হলে শ্রমিকরা কাজ পাবে। আমরা চাই ওখানে চা”য়ের আবাদ হোক। মাল থানার আইসি সুজিত লামা এনিয়ে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আপাতত আবাদ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment

Choose অবস্থা