মালে জলাভূমি ভরাট হচ্ছে অভিযোগ প্রাকৃতিক ভারসাম্য রাখতে গ্রিনবেঞ্চে আবেদন 

#মালবাজার: মালবাজার শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে জলাভূমি ভরাট করে গড়ে উঠেছে ইমারত। এক শ্রেণির অসাধু চক্র এই কাজে লিপ্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে কিছু পরিবেশ প্রেমী পরিবেশ দপ্তরে আবেদন জানানোর উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে বিভিন্ন মহল থেকে। ডুয়ার্সের অন্যতম জনপ্রিয় শহরের মধ্যে মালবাজারের নাম সবার আগে আসে।
উত্তরে পাহাড় ও দক্ষিণে সমতল ভুমি মালবাজারে এক সময় ১১,১২,১৩,১৪ নম্বর ওয়ার্ডে বেশ কিছু পুকুর বা জলাভূমি ছিল। এরমধ্যে কিছু মনুষ্য সৃষ্ট আবার কিছু ছিল স্বাভাবিক জলাভূমি। বর্তমানে সেইসব পুকুরের অধিকাংশ ভরাট হয়ে গড়ে উঠেছে ইমারত ও ভবন। অনেক প্রবীণ ব্যাক্তি জানান যে তারা যেখানে স্নান করেছেন সেখানে এখন বাড়ি উঠেছে। এখনো যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা-ও ভরাট করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। এতেই বেজায় ক্ষুব্ধ পরিবেশ প্রেমীদের একটা অংশ।
জানাগেছে, শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রয়াত দেবেন্দ্রনাথ দাসের একটি পুকুর ও জলাভূমি ছিল। সম্প্রতি সেটি ভরাট করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় স্কুল শিক্ষক নবীন সাহা জানান, এক শ্রেণির অসাধু চক্র এই কাজে লিপ্ত। পুকুর বা জলাভূমি ভরাট করা উচিত নয়। এতে পরিবেশের ক্ষতি হয়। জলাভুমি একটি এলাকার বাস্তুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করে।যারা এই কাজ করছে বলে শুনেছি তাদের বিরুদ্ধে গ্রিন বেঞ্চ ও পরিবেশ দপ্তরে অভিযোগ জানাব।
শহরের এক পরিবেশ প্রেমী স্বরূপ মিত্র বলেন,
পুকুর ও জলাভূমি জলজ প্রানীর বাস। প্রকৃতির
ভারসাম্য রক্ষাকারী পুকুর যারাই ভরাট করছে তাদের প্রাকৃতিক সমস্যার কথা ভাবা দরকার। প্রশাসনের দেখা দরকার। বিশিষ্ট পরিবেশ প্রেমী মনবেন্দ্র দে সরকার বলেন, বর্তমানে প্রতি বছর যেভাবে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর যেভাবে নামছে তাতে জলাভূমি ভরাট করলে আগামী দিনে জলের জন্য হাহাকার করতে হবে। সুতরাং এনিয়ে সবার ভাবা দরকার।
যার বিরুদ্ধে পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে সেই ব্যবসায়ী দেবীপ্রসাদ অগ্রয়াল এনিয়ে জানান, অভিযোগ ঠিক নয়, ওটা জলাজমি নয় সম্পুর্ন বাস্তু জমি। প্রয়াত দেবেন্দ্রনাথ দাসের স্ত্রী কৃষ্ণা দাসের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বলে আমি দেখাশোনা করি। জলাভূমি ভরাটের প্রশ্ন নেই। অভিযোগ অস্বীকার হলেও গত কয়েক বছরে শহরের বেশ কয়েকটি পুকুর ভরাট হয়ে গেছে।
News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment

Choose অবস্থা