নির্বাচন শেষ চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ ত্রিমুখী লড়াইয়ে কার ভাগ্যে শিকে ছিড়বে? 

#মালবাজার: শুক্রবার শেষ হয়েছে দেশের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোট। দেশের অন্যান্য এলাকার মতো এরাজ্যে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার আসনে নির্বাচন হয়ে গেছে। ইভিএম মেসিন গুলি স্টং -রুমে কঠোর নিরপত্তায় বন্ধি রয়েছে। জলপাইগুড়ি লোকসভা আসনের ৭টি বিধানসভার মধ্যে মাল ২০/এসটি ও বিধানসভা ও আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের ৭টি বিধান সভার মধ্যে নাগরাকাটা বিধানসভা ডুয়ার্সের মাল মহকুমা অধীনে।
দুটি বিধানসভার ৫৩১টি বুথে শুক্রবার প্রায় ৫.৮ লাখ ভোটারের মধ্যে গড়ে ৮১ থেকে ৮৫শতাংশ ভোটার তাদের মত দিয়েছেন। চাবাগান, গ্রামাঞ্চল, বনবস্তি ও শহর অঞ্চলের ভোটাররা শুক্রবার তাদের ভোট দিয়েছেন। ভোট মিটে যাওয়ার পর হাটবাজার, চা দোকান সহ পড়ায় পাড়ায় জোর চর্চা চলছে কে জিতবে?
গত ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির চোরা স্রোত সব হিসাব উল্টে এইদুই বিধানসভা কেন্দ্রে অ্যাডভ্যান্টেজ ছিল। তারপর জলঢাকা, নেওরা দিয়ে গত ৫ বছরে বহু জল গড়িয়ে গেছে। এই ৫ বছরে গত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে মাল বিধানসভা তৃনমুল ও নাগরাকাটা বিধানসভা বিজেপির দখলে গেছে। মাল পৌরসভা তৃণমূলের দখলে রয়েছে। গত পঞ্চায়েত ভোটের হিসাবে মাল ও নাগরাকাটা বিধানসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাধান্য রয়েছে।
এরসাথে এবার তৃণমূল কংগ্রেস প্রচারে এনেছিল রাজ্যের উন্নয়ন, লক্ষীর ভান্ডার, রুপশ্রী, কন্যাশ্রী সহ বিভিন্ন প্রকল্পের রূপায়ণ। বিজেপির প্রচারে ছিল জাতীয় ইস্যু, রাজ্য রাজনীতির দূর্নীতি ও প্রধানমন্ত্রী চয়ন। পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় থাকলেও পঞ্চায়েত সদস্য দের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ কাজে লেগেছে  বিজেপি পক্ষে। এছাড়াও গ্রাসরুট লেভেলে ওদলাবাড়ি সহ বিভিন্ন এলাকায়  বেশ কিছু তৃনমুল নেতা কর্মীদের এবার চুপচাপ থাকতে দেখা গেছে।
মাল এলাকায় বিজেপির পক্ষে সেরকম হেভিওয়েট নেতাদের প্রচার সেরকম ছিলনা, তবে গ্রাসরুট লেভেলের কর্মীরা শ্রম দিতে দেখা গেছে।
নাগরাকাটায় বিধায়ক যথেষ্ট খাটলেও বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বারলাকে সেভাবে চাবাগান এলাকায় প্রচারে দেখা যায় নি। ভোটের মুখে অমরনাথ ঝা সহ একাধিক নেতার বিজেপিতে যোগদান প্লাস পয়েন্ট হয়েছে।
সর্বশেষ মুখ্যমন্ত্রীর চালসায় কয়েকদিন চালসায় থাকা ও সাধারণ মানুষের সংগে মিশে যাওয়া। চাশ্রমিকদের কাছাকাছি যাওয়া, তাদের সমস্যা শোনা এবং সর্বোপরি নববর্ষে চালসায় পদযাত্রায় অংশ নেওয়া এক বারতি অক্সিজেন হিসাবে এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রে কাজ করেছে। সেটা ভোটের দিন ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেছে।
News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment

Choose অবস্থা