তিস্তায় জল ছাড়ায় টটগাও’য়ে আবাদি জমি জলমগ্ন, বাঁধের দাবী স্থানীয়দের

#মালবাজার: তিস্তানদীতে জল ছাড়ায় আবাদি জমি রাস্তা জলমগ্ন হলো মাল ব্লকের প্রত্যন্ত টটগাও বস্তি। আবারও বাঁধের দাবীতে সরব হলো স্থানীয়রা।
জানাগেছে, সোমবার কালিম্পং জেলার কালি ঝোড়া বাধ থেকে জল ছাড়া হয় তিস্তায়। এতেই তিস্তা নদীর জলস্তর বেড়ে যায়। যার জেরেই মাল ব্লকের টটগাও বস্তির আবাদি জমিতে জল ঢুকে যায়। সুত্রের খবর গত ৪অক্টোবর সিকিমের পাহাড়ি এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। প্রবল বৃষ্টির ফলে উত্তর সিকিমের লোথাম লেকের জল উপছে পড়ে তিস্তায়।
প্রায় ২০ ফুট জলস্তর বেড়ে যায় তিস্তায়। ভেসে যায় নদীর আশেপাশের এলাকা। সেই জলচ্ছাসে সিকিমের একটি সেনাবাহিনীর শিবির গোলাবারুদ সহ ভেসে গিয়েছিল। পরে জল কমার পর তিস্তার নিম্ন অববাহিকা অঞ্চল গজালডোবা, চ্যাংমারি এলাকা থেকে বহু গোলা উদ্ধার করে নিস্ক্রিয় করা হয়। সেনাবাহিনীর হিসাব অনুযায়ী সব গোলাবারুদ এখনো পাওয়া যায়নি। সেই সব খোঁজার জন্য সোমবার বাঁধ থেকে জলছাড়া হয়। জলমগ্ন হয় তিস্তার নিম্ন অববাহিকা এলাকা।
শুখার মরসুমে আচমকা নদীর জলস্তর বেড়ে যেতেই জল আবাদি এলাকায় ঢুকতে শুরু করে।যদিও বাড়িঘরে জল ঢোকেনি। এতেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে এলাকাবাসি। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যা ভিমা উপাধ্যায়  জানান, এই এলাকায় তিস্তা নদীতে কোন বাধ নেই। ফলে জল বাড়লেই গ্রামে জল ঢুকে যায়। গত ৪ অক্টোবর এভাবেই প্লাবিত হয়েছিল আমাদের গ্রাম। ত্রান শিবিরে থাকতে হয়েছিল। বাধ নির্মান না হলে এই সমস্যায় বার বার ভুগতে হবে। বাধের জল ছাড়ায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিডিও সাহেব এসেছিলেন।
তিনি জানতে চান কোথায় কিভাবে কতখানি বাধ দিলে সমস্যা দূর হবে। আমি তাকে বিস্তারিত জানিয়েছি যে দেড় কিমি বাধের দরকার। এছাড়াও পাশের রুংটং ঝোড়াতে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান মালের বিডিও রশ্মীদীপ্ত বিশ্বাস ও ব্লক প্রশাসনের লোকজন। বিডিও শ্রী বিশ্বাস বলেন, নদীর জল বেড়েছিল তবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। প্রশাসন সব দিক নজর রাখছে। আগামী বর্ষার আগে বাধ নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে।
News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment

Choose অবস্থা