৫ শতক জমির পাট্টার প্রতিবাদে র‍্যালি ও ডেপুটেশন এসডিও অফিসে

#মালবাজার: সম্প্রতি রাজ্য সরকার চাবাগানে বসবাসকারী চা শ্রমিক ও বাসিন্দাদের  জমি চাবাগানে থাকা অব্যবহার্য জমিতে ৫ শতক করে জমিরপাট্টা প্রদানের কথা ঘোষণা করেছে। ভুমি ও ভুমিরাজস্ব দপ্তর ইতিমধ্যে বিভিন্ন চাবাগানে জমি জরিপের কাজ শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর হাত দিয়ে আগামী ১১ ডিসেম্বর বানারহাটের সভায় সেই পাট্টা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সুত্রের খবর।
পাট্টা প্রদানের প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছে অখিল ভারতীয় আদিবাসী বিকাশ পরিষদ। কিন্তু, যেভাবে ৫ শতক জমির পাট্টা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হলো আদিবাসী বিকাশ পরিষদ।
শুক্রবার দুফুরে মালবাজার শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আদিবাসী সহায়তা কেন্দ্র থেকে এর প্রতিবাদে একটি র‍্যালি বের করে আদিবাসী বিকাশ পরিষদ। শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মহকুমাশাসকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ভুমি ও ভুমিরাজস্ব দপ্তরের ডেপুটি সেক্রেটারির উদ্দেশ্যে লেখা স্মারক পত্র মহকুমা শাসকের দপ্তরে জমা দেন।
এনিয়ে অখিল ভারতীয় আদিবাসী বিকাশ পরিষদের রাজ্য কমিটির কার্যকরী সভাপতি তেজকুমার টোপ্পো জানান, পাট্টা প্রদানের যে উদ্যোগ রাজ্য সরকার নিয়েছে তাকে আমরা স্বাগত জানাই।কিন্তু, ভুমি ও ভুমিরাজস্ব দপ্তর থেকে যে বিঞ্জপ্তি জারি করা হয়েছে আমরা তার প্রতিবাদ করছি। বিঞ্জপ্তিতে বলা হয়েছে চাবাগানের অব্যবহার্য জমিতে ৫ শতক পরিমাণ জমির পাট্টা দেওয়া হবে। চাবাগানের অব্যবহার্য জমি সাধারণত কোন নদীর কিনারে কিম্বা কোন প্রান্তিক  এলাকায় হয়।
সেখানে জায়গা দিলে কিভাবে বসবাস করবে? আমরা চাইছি যে জমিতে চাবাগানের আদিবাসী শ্রমিকরা সাবেক কাল থেকে ঘরবাড়ি করে বসবাস করছে সেই জমির পাট্টা দেওয়া হোক। যার দখলে যতটুকু জমি তার জরিপ করে সেখানে পাট্টা দেওয়া হোক। তাই আজ আমরা ভুমি ও ভুমিরাজস্ব দপ্তরের ডেপুটি সেক্রেটারির উদ্দেশ্যে লেখা চিঠি মহকুমাশাসকের মাধ্যমে প্রেরনের জন্য স্মারক লিপি দিয়েছি।

News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment

Choose অবস্থা