নদী খাদান নিয়ে ট্যাক্টর ইউনিয়ন ও ইজারাদার বিরোধে সরগরম মেটেলি ব্লক

#মালবাজার: নদী তুমি কার? কে তুলবে তোমার বালিপাথর? এই প্রশ্নে গত দুই দিন যাবৎ সরগরম হয়ে উঠেছে মেটেলি ব্লক। এর জেরেই মঙ্গলবার চালসা গোলাইতে প্রাক্তন আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি তথা বিশিষ্ট আদিবাসী নেতা রাজেশ লাকরাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় ট্যাক্টার ইউনিয়ন। বাদানুবাদে সরগরম হয়ে ওঠে চালসা গোলাই।
গত দুইদিন ধরে  রয়াল্টি হীন বালিপাথর বোঝাই ট্যাক্টর ও গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছেন রাজেশবাবু।
গতকাল রয়াল্টিহীন এক ট্যাক্টার ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। রাজেশ বাবুর বক্তব্য, আমি সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধিতে এই উদ্যোগ নিয়েছি। আজ আমি বাজারে গেলে বালিমাফিয়ারা আমাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। অপর দিকে ট্যাক্টার ইউনিয়নের লোকেরা বলে, যে টাকা র‍্যায়াল্টি হিসাবে ধরা হয় সেই টাকা দিতে গেলে ব্যবসা করা যাবেনা। সরকারি হিসাবে ১০০ ঘনফুট পরিমাণ বালিপাথরের জন্য ধার্য র‍্যায়াল্টি প্রায় ৫০০ টাকা।
সেখানে নদী ইজারাদার ২০০০টাকা ধার্য করেছে। রাজেশবাবু ইজারাদারের প্রতিনিধি হিসাবে সব নির্ধারণ করছেন। র‍্যায়াল্টি কম হলে অবশ্য সবাই র‍্যায়াল্টি কাটবে। তাছাড়া র‍্যায়াল্টি স্লিপে টাকার পরিমাণও ওনারা লেখে না। এটাও সমস্যা। এনিয়ে জানাগেছে, কৃষ্ণ দে নামের এক সংস্থা সরকারি টেন্ডার অ্যাটেন্ড করে নদীর ইজারা পেয়েছেন। তার প্রতিনিধি হিসাবে রাজেশবাবু র‍্যায়াল্টি দিয়ে থাকেন।
রাজেশবাবু বলেন, ওটা আমাদের কোম্পানি। সরকারের ঘরে রাজস্ব জমা করে নদীর ইজারা পেয়েছে। সেই হিসাবে ১০০ ঘনফুট পরিমানের জন্য প্রায় ১৮০০ টাকা খরচ পড়ে। সেই হিসাবে র‍্যায়াল্টি ধার্য করা হয়েছে। কিন্তু, কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই এক শ্রেণির বালি মাফিয়া নদী থেকে বালি তুলে ব্যবসা করছে। এর বিরুদ্ধে অভিযোন চলবে।
এনিয়ে ভুমি রাজস্ব দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, আগে ভুমি রাজস্ব দপ্তর রয়াল্টি কাটত এখন কিছু নদীতে ইজারা দেওয়া হয়েছে। সেখানে ইজারাদার র‍্যায়াল্টি কাটবে।
News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment

Choose অবস্থা