শেষ হলো গরুবাথানে ঐতিহ্যবাহী তিন দিন ব্যাপী খাদ্য উৎসব

#মালবাজার: কালিম্পং জেলার গোরুবাথান এলাকায় পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে, এ কথা অস্বীকার করা যাবে না। এই কারণেই গোর্খাল্যান্ড আঞ্চলিক প্রশাসনের সহযোগিতায় গোরুবাথান পর্যটন উন্নয়ন কমিটি দ্বিতীয় বর্ষের  তিন দিনব্যাপী গোর্খা ঐতিহ্যবাহী খাদ্য উৎসবের আয়োজন করেছে। গোরুবাথান ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কমিটি জানানো হয়েছে  যে এই ধরনের অনুষ্ঠান গোরুবাথানে পর্যটনকে বাড়িয়ে তুলবে।
জিটিএ সভার চেয়ারম্যান অঞ্জু চৌহান 26 জানুয়ারি গোর্খা ঐতিহ্যবাহী খাদ্য উৎসবের উদ্বোধন করেছিলেন। আপার ফাগু চা বাগানের গোরুবাথান টাইটানিক ভিউ পয়েন্টে গোর্খা ঐতিহ্যবাহী ফুড ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করায় এলাকায় আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।সেলরুটি, কাদোরুটি, মোমো, থুপ্পা, সহ নানান ট্র‍্যাডিশনাল খাদ্যের দোকান সাজানো হয়েছে।
এটি জানা যায় যে গোরুবাথান পাহাড় এবং জঙ্গলে ঘেরা অন্যতম প্রধান পর্যটন স্থান। পাহাড়ের উচ্চতা থেকে ঝরনার শব্দ পর্যটকদের সহজেই আকৃষ্ট করে। গোরুবাথান এলাকায় মংজিঙ্ক, সুলতালে বস্তি, ঝান্ডি সহ অনেক পর্যটন স্থান রয়েছে। এর মধ্যে অনেক এলাকা থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সুন্দর দৃশ্য, কাঞ্চনজঙ্ঘা, সিকিম, দার্জিলিং, নেভরা ফরেস্ট, ডুয়ার্স দেখা যায়।
বিপুল সংখ্যক পর্যটকও আসছেন খাদ্য উৎসব দেখতে। তারা পাহাড়ি এলাকার ঐতিহ্যবাহী খাদ্যের স্বাদ গ্রহণ করছেন। কলকাতা থেকে গোরুবাথান বেড়াতে আসা পর্যটক রেশমা বড়ুয়া জানিয়েছেন। সেল রোটি, কোদো রোটি খেতে খুব ভালো লাগলো। এ ধরনের ফুড ফেস্টিভ্যালের আয়োজন পর্যটনের প্রসার ঘটাবে বলে আশা করছি।
News Britant
Author: News Britant

Leave a Comment

Choose অবস্থা